-->

৪০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ল্যাপটপ [২০২০]

Best-Laptops-Under-40k-In-BD

আপনি কি ৪০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ল্যাপটপ খুঁজছেন ? যদি আপনার উত্তর 'হ্যা' হয়ে থাকে তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন। আমরা নির্বাচন করেছি ৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ।

ল্যাপটপ এমন একটা ডিভাইস যেটা আজকাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্টুডেন্ট (Student) থেকে বিজনেস ম্যান (Business Man) সবার কাছে একটা ল্যাপটপ থাকা আবশ্যক।

বেশিরভাগ ল্যাপটপ ক্রয় করার সময় ৩০ থেকে ৪০ হাজার বাজেটের ল্যাপটপ গুলো অনেক বেশি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। কারণ এই প্রাইস সেগমেন্ট এর ল্যাপটপগুলো অনেক জনপ্রিয়। বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী তাদের মাঝে।

নিজের জন্য একটা ভালো এবং উপযুক্ত ল্যাপটপ বাছাই করা একটা সুই এর ভিতর সুতা প্রবেশ করানোর মতো কঠিন।

তবে যাদের বাজেট ৪০ হাজার টাকার নীচে তাদের ল্যাপটপ বাছাই করণের কাজকে সহজ করার জন্য আমরা আজকে কিছু সেরা ল্যাপটপ এর ব্যাপক লিস্ট সংকলন করেছি। আশা করি আপনারা সবাই লিস্ট থেকে কিছুটা উপকৃত হবেন।


আরো পড়ুন:

৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ [২০২০]

বিঃদ্রঃ আজকের ল্যাপটপ বায়িং গাইড এর ল্যাপটপগুলোকে তাদের ফিচারস ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী রাখা হয়েছে। আমরা সেই ল্যাপটপ গুলোকে এখানে প্রাধান্য দিয়েছি যেগুলো আপনার টাকা নেওয়ার যোগ্য। ল্যাপটপ গুলোর দাম এক মার্কেটে একরকম ও অন্য মার্কেটে আরেক রকম হতে পারে। তাই কেনার আগে খোজ খবর নিয়ে কিনে নিবেন। চলুন শুরু করি। alert-info

1. Acer Aspire E15

Acer-Aspire-E15

বাজেট ল্যাপটপ এর কথা বললে সর্বপ্রথম যেই নামটিই নিতেই হয় সেটা হলো এসার (Acer)। কোম্পানিটি তাদের অসাধারণ ল্যাপটপ এর জন্য ৩০ থেকে ৪০ হাজার বাজেটে অনেক নাম অর্জন করেছে। তাদের বাজেট ল্যাপটপের মধ্যে একটি সেরা ল্যাপটপ হলো Acer Aspire E15।

ল্যাপটপ টিকে পাওয়ার করছে ইন্টেল এর ৮ম জেনারেশন এর কফিলেক Core i3 প্রসেসরটি। ৪০ হাজার টাকার নীচে এই প্রসেসরটি একটা বেস্ট প্রসেসর। ল্যাপটপটি বানানো হয়েছে হাই-কোয়ালিটি প্লাস্টিক দিয়ে যেটা ল্যাপটপ টাকে বেশি গরম হতে দেবে না নরমাল ইউজে।

ল্যাপটপটির সাথে আপনি পাবেন ৬জিবি মেমোরি। আর স্টোরেজ হিসেবে থাকছে ১ টেরাবাইট এর এইচডিডি (HDD)। ফলে আপনি কোনো অস্বাভাবিক ল্যাগ বা হিকাপস ছাড়াই মাল্টিটাস্কিং করতে পারবেন। ১ টেরাবাইট স্টোরেজ থাকায় যেকোনো হাই-রেজুলেশনের ভিডিও বা ফাইল সহজেই সেভ করতে পারবেন।

১৩.৫- ইঞ্চির ফুল এইচডি ১৯২০ × ১০৮০পি এর ডিসপ্লে ব্যাবহার করা হয়েছে এতে যেটা খুবই সুন্দর কালার শো করে। ল্যাপটপটির ব্যাটারি ব্যাকআপ অনেক ভালো। আপনি ক্যাসুয়াল ইউজে ১২-১৩ ঘণ্টার মতো ব্যাটারি ব্যাকআপ পাবেন যেটা এই প্রাইসে খুবই দারুন।

Acer Aspire E15 একটি দারুন ল্যাপটপ। স্কুল গামি বা ব্যাবসা কাজে নিয়োজিত কেউ কিংবা নরমাল ইউজার এর জন্য এটি একটি সেরা অপশন হতে পারে। এর দাম অনুসারে আমরা এটিকে আমাদের লিস্টে সবার উপরে রেখেছি।

অর্ডার করুন/cart/button

2. Dell i3567-3636BLK

Dell-i3567-3636BLK

ল্যাপটপটির নাম মনে রাখা খুবই সহজ। সত্যি বলছি কিন্তু। এই বাজেটের ল্যাপটপ গুলোর মধ্যে অনেকেই ডেল প্রেফার করে থাকেন। কেননা ডেল কোম্পানির উপর আমাদের সকলের বিশ্বাস অন্যান্য কোম্পানি থেকে বেশি আছে। যারা ডেলের ল্যাপটপ খুঁজছেন তাদের জন্য Dell i3567 একটি ভালো অপশন হবে।

ল্যাপটপটির প্রসেসর হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে ইন্টেলের ৭ম প্রজন্মের Core i3-7100u। এসার এর ল্যাপটপ থেকে এর প্রসেসর ১ বছর এর পুরনো। তবে আপনারা এতে পাবেন ৮ জিবি এর মেমোরি। যেটা আপনার যাবতীয় কাজকর্ম গেম খেলা বাদে সব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে।

উইন্ডোজ ১০ এর সাথে লাপটপটিতে পাবেন বড়ো ১৫.৬-ইঞ্চির ডিসপ্লে যেটা একটা টাচ স্ক্রিন সমর্থন করা প্যানেল। টাচ-স্ক্রিন ডিসপ্লে ও ৮ জিবি মেমোরি আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মকে অবশ্যই  অনেক ফাস্ট এবং সহজ করে দিবে।

২.৪ গিগা হার্টজ এর ক্লক স্পিড সম্পন্ন এই ল্যাপটপটি একজন স্টুডেন্ট বা নরমাল ইউজার এর জন্য অনেক ভালো একটা অপশন হবে। এর বড়ো টাচ স্ক্রিন ডিসপ্লে ও বেশি মেমোরি সব রকম কাজের জন্য একটা প্লাস পয়েন্ট হবে। আর হ্যা, এর ৮জিবি মেমোরি DDR4 গ্রেড এর।

অর্ডার করুন/cart/button

3. Asus Vivobook 15

Asus-Vivobook-15

যারা প্রায়শই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করেন সহজ ভাষায় যারা ট্রাভেলার এবং বাজেট এর মধ্যে একটা ভালো ল্যাপটপ খুঁজছেন তাহলে আপনার জন্য এই ল্যাপটপটি। Asus Vivobook 15 একটি অসাধারণ ল্যাপটপ যেটা বের হওয়ার পর থেকে বিশ্বের সব বাজেট ল্যাপটপ জগতে আগুন লেগে গেছে রীতিমতো।

ল্যাপটপটির পোর্টাবিলিটি, লাইট ওয়েটনেস ও ইউজাবিলিটি আপনাকে ইমপ্রেস করতে বাধ্য। ল্যাপটপটিতে দেওয়া আছে স্লেট গ্রে ফিনিস যেটা ল্যাপটপকে একটা প্রিমিয়াম লুক দেয়।

Asus Vivobook 15 ল্যাপটপটির ডিসপ্লে হিসেবে আপনাকে দেওয়া হবে ১৫-ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে যেখানে আছে ন্যানো বেজেল যা আপনাকে ফুল ভিউ এক্সপেরিয়েন্স দেবে। ডিসপ্লেটি ক্রিসপি, ক্লিয়ার ও ভাইব্রেন্ট কালার শো করে। ল্যাপটপটির ডিসপ্লেটি আসলেই অসাধারণ এবং এই বাজেটে বেস্ট।

ল্যাপটপটির প্রসেসর হিসেবে কাজে লাগানো হয়েছে ৮ম প্রজন্মের ইন্টেল Core i3-8145U। সাথে আছে ৮ জিবির DDR4 মেমোরি। এই দুই কম্বো আপনাকে অসাধারণ স্পিড প্রদান করবে।

১২৮ জিবি স্টোরেজ কারো জন্য যথেষ্ট নয়, অন্তত ল্যাপটপে। তবে যদি আপনি এই ৪০ হাজার টাকায় একটা এসএসডি ড্রাইভ পান তাহলে সেটা একটা দারুন ব্যাপার। ২০২০ সালে এসে এসএসডি না থাকা খুবই অস্বাভাবিক কিন্তু

বিশ্বাস করুন একবার এসএসডি ড্রাইভ এর স্পিডে অভ্যস্ত হলে আপনি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে কখনো ফিরতে পারবেন না সেটা এইচএইচডি ড্রাইভে যতো বেশি স্টোরেজ থাকুক না কেনো!

ল্যাপটপ এর মধ্যে আপনি পাবেন ব্যাক লিট কী-বোর্ড যেটা আপনার টাইপিং এক্সপেরিয়েন্স বাড়িয়ে তুলবে। ট্র্যাক প্যাড অনেক বড়ো এবং ভালো টাচ রেজিস্টার করে। সকল প্রয়োজনীয় পোর্ট যেমন: ইউএসবি সি সবই এতে পাবেন। এর একটি বড়ো ফিচার হলো Intel UDH Graphics কার্ড যেটার গ্রাফিক্স পর্যাপ্ত ভালো।

আপনি অ্যাডোব ফটোশপ এর মত ফটো এডিটিং অ্যাপ সহজেই ব্যাবহার করতে পারবেন। সর্বোপরি এই অসাধারণ আসুস ল্যাপটপটির আপনার টাকার ন্যায্য মূল্য দিবে। 

অর্ডার করুন/cart/button

4. Lenovo IdeaPad 110

Lenovo-IdeaPad-110

বাজেটে সেরা ল্যাপটপ নিয়ে কথা বলবো আর এখানে লিনোভো থাকবে না এটা কখনো হতে পারে না। যারা অনেক  মাল্টিমিডিয়া কনজিউম করে থাকেন তাদের জন্য Lenovo IdeaPad 110 একটি ভালো ল্যাপটপ অপশন হতে পারে।

এখানে আপনি পাবেন ইন্টেল এর পেন্টিয়াম গোল্ড ৪৪০৫ প্রসেসর। অনেকে হয়তো চিপটির নাম শুনেই এই ল্যাপটপটি স্কিপ করার কথা ভাবছেন। তাদের জন্য বলছি Pentium চিপসেট গুলো core i3 এর মতোই পারফর্ম করে। ৬জিবি DDR4 মেমোরি থাকায় আপনার লাগবে না  আপনি একটা লোএন্ড ল্যাপটপ ইউজ করছেন।

ল্যাপটপটির ডিসপ্লে হিসেবে লিনোভো অফার করছে ১৫.৬ ইঞ্চির টাচ স্ক্রিন প্যানেল। এর স্ক্রিন কোয়ালিতি আপনাকে সন্তুষ্ট করবে কারণ এটা অনেক ক্রিসপ ও পপড-আপ কালার শো করে।

ল্যাপটপটি যেহেতু লিনোভো বানিয়েছে তাই আপনি এতে পেয়ে যাবেন Dolby audio এর সাপোর্ট। যারা গান শুনতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এই ফিচারটি অডিও ক্ল্যারিটি ও কোয়ালিটি দুইটাই বাড়িয়ে দেবে। দিনের শেষে এটা একটা মাল্টিমিডিয়া ফোকাসড ল্যাপটপ।

উইন্ডোজ ১০ প্রি লোডেড এবং একটা ইউএসবি সি পোর্ট দেওয়া আছে এখানে। Intel UHD Graphics হালকা পাতলা গ্রাফিক্স সহজেই সামলাতে পারবে কোনো রকম অসুবিধা হবে না।

সুতরাং, ল্যাপটপ মুভিমেশিন চাইলে এই ল্যাপটপটি একটা বেস্ট অপশন এই বাজেট এ।

অর্ডার করুন/cart/button

5. Dell Inspiron 5584

Dell-Inspiron-5584

ল্যাপটপ বায়িং গাইডে আরেকটি ডেল ল্যাপটপ রেখেছি আমরা। এটি হলো Dell Inspiron 5584। যাক এই নামটা মনে রাখা একটু কঠিন। যারা তাদের কষ্টে অর্জিত টাকার শতভাগ মূল্য চান তাদের অবশ্যই ডেল ল্যাপটপ এর দিকে দেখা দরকার। এর একটা সেরা উদাহরণ এটি।

ডিসপ্লে হিসেবে পাওয়া যাবে ১৫.৬-ইঞ্চির ফুল এইচডি রেসোলিউশন এর প্যানেল যেটা অনেক সুন্দর ও হাই কোয়ালাইটি ইমেজ রেন্ডার করে। তাই এই ডিসপ্লের মধ্যে কোনো মুভি বা কোনো ভিডিও দেখা হলে অসাধারণ অভিজ্ঞতা পাবেন।

ল্যাপটপটির অভ্যন্তরে পাওয়ার করছে ইন্টেলের ৮ম জেনারেশন এর Core i3-8145U চিপসেট। সত্যি বলতে এই প্রাইসে এরকম একটা প্রসেসর পাওয়া খুবই অস্থির বিষয়। তাছাড়া ৪জিবি মেমোরি পাবেন এতে যেটা একটু কম মনে হলেও এই বাজেটে সাধারণভাবে এরকমই হয়।

কীবোর্ড আরেকটা অস্থির জিনিষ এই ল্যাপটপ টার। এটি ব্যাক লাইট সাপোর্ট করে তাই আপনি এটা অন্ধকারেও টাইপ করতে পারবেন। আর হ্যা যেহেতু এটা RGB তাই ইচ্ছেমত কালার সেট করা যাবে। কীবোর্ড এর সাথে আছে একটা আলাদা নাম্বার প্যাড যেটা টাইপিং সহজ করবে।

ল্যাপটপটি হালকা পাতলা গেমিং করতে পারে এর Intel UHD 620 গ্ৰাফিক্স এর জন্য এবং সকল দরকারি পোর্ট ও ফাস্ট ওয়াইফাই সাপোর্ট করে। এইটা ভেরি বেস্ট অপশন অনেকের জন্য।

অর্ডার করুন/cart/button

6. Asus Vivobook Flip 14

Asus-Vivobook-Flip-14

এই লিস্টের আরেকটি ভালো ল্যাপটপ হলো Asus Vivobook Flip 14। যাদের ক্যাসুয়াল ইউজিং এর জন্য একটা ল্যাপটপ দরকার যেটা লাইটওয়েটও হবে তাদের জন্য আসুস এর এই ল্যাপটপটি একটা ভালো অপশন। এর ১৪-ইঞ্চির ডিসপ্লে এবং স্লিক ডিজাইন ক্যাসুয়াল ইউসিং এর জন্য অনেক ভালো কনফিগারেশন।

এই কম্প্যাক্ট সাইজের ল্যাপটপে আপনি পাবেন ইন্টেলের কোয়াড কোর Pentium N500 প্রসেসর।  সাথে পাবেন ৪জিবির DDR4 মেমোরি। যদিও এই বাজেটে পেনটিয়াম চিপসেট কোন আহামরি কিছু নয় তবে এই সিপিইউটি ভালই পারফর্ম করে। নরমাল অ্যাপস থেকে শুরু কিছু হেভী অ্যাপসও ভালো চলবে।

ল্যাপটপটির ডিসপ্লে পাবেন ১৪ ইঞ্চির যেটা ন্যানো এজ এইচডি ভিউ টেকনোলজির সাথে আসে তাই আপনার ঘণ্টার পর ঘন্টা ল্যাপটপে কাজ করার পরও চোখে ব্যাথা করবে না। ডিসপ্লেটি ১৭৮ ডিগ্রির ভিউয়িং এঙ্গেল সাপোর্ট করে যেটা ভিডিও দেখার জন্য অপটিমাইজড।

Asus Vivobook Flip 14 এ আপনি পাবেন ১২৮ জিবির eMMC স্টোরেজ। যেটা অনেক বেশি না তবে নরমাল ফোল্ডার বা ছোট খাটো ফাইল স্টোর করার জন্য কোনরকম চলবে। ল্যাপটপটির স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ৭৩% এবং এর ওজন ৩.৩ পাউন্ড যেটা কিনা অনেক হালকা।

যাবতীয় সব পোর্ট যেমন: ইউএসবি সি, মাইক্রো এইচডিএমআই, মাইক্রো ইউএসবি ও এসডি কার্ড রিডার এই ল্যাপটপে পেয়ে যাবেন। আপনি ইচ্ছেমত এক্সটার্নাল ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন এই ল্যাপটপটিতে। কোনো সমস্যা নেই।

এই বাজেট ল্যাপটপটি আল্ট্রা একুরেট টাচ সেস্নিং এর জন্য বানানো কেননা এর টাচ স্ক্রিন অসাধারণ রেসপন্স প্রদান করে। তাছাড়া এর ৩৬০° হিঞ্জ মুভ করে আপনি যেকোনো অ্যাঙ্গেলে ল্যাপটপটি ইউজ করতে পারবেন। ট্যাবলেট হিসেবেও ল্যাপটপটিকে ইউজ করতে পারবেন। 

অতএব, যাদের একটা ফ্লিপ বা কনভার্টেবল ল্যাপটপ দরকার তাদের জন্য এই ল্যাপটপ ঠিক

অর্ডার করুন/cart/button

7. Lenovo IdeaPad 330S

Lenovo-IdeaPad-330S

ল্যাপটপ টিকে প্রথমবার দেখলে মনে হতে পারে এটি একটি প্রিমিয়াম গ্রেড এর হাই কোয়ালিটি ল্যাপটপ তবে যখন এর স্পেসিফিকেশন দেখা হবে কেবল তখনই বলা যাবে এটি একটি মিড রেঞ্জ ল্যাপটপ। ল্যাপটপটি কিন্তু অনেক হেভী ডিউটি গেমও চালাতে পারবে। অস্থিরভাবে নহে।

ল্যাপটপটি একটা গেমিং ল্যাপটপ না হলেও লিস্ট এর অন্যান্য ল্যাপটপ থেকে এর গেমিং পারফরম্যান্স ভালো। ল্যাপটপটাতে দেওয়া হয়েছে প্লাটিনাম কালার ফিনিশ এটা একে একটা অস্থির লুক দেয়। এর ১৫.৬- ইঞ্চির ফুল এইচডি ডিসপ্লে সুন্দর  কালার রেন্ডার করবে। 

ল্যাপটপটির মেমোরি হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে ৮জিবির DDR4 স্টিক। আর জিপিউ হিসেবে আছে Amd Radeon R7 কার্ডটি যেটা মোটামুটি ভালো গ্রাফিক্স ও ভিসুয়াল রেন্ডার করতে পারে। গান, মুভি, ছবি স্টোর করার জন্য আপনি পাবেন প্রচুর স্টোরেজ। ১ টেরাবাইটের স্টোরেজ এ অনেক বেশি ফাইলস রাখা যাবে।

তাছাড়া এই ল্যাপটপ এর থিননেস ০.৯ সেন্টিমিটার যেটা এতো ভালো স্পেক্স এর জন্য অনেক বেশি থিন । এর ওজন ৪.৮ পাউন্ড। এটি চলবে উইন্ডোজ ১০ হোম বেসিক অপারেটিং সিস্টেম এর উপর এবং এটি সকল দরকারি পোর্ট ও স্লট সাপোর্ট করে। যেটা ভালো জিনিষ।

IdeaPad 330S ল্যাপটপ আপনাকে দিবে একটা ফুলফ্লেজড কীবোর্ড যেখানে আপনি পাবেন আলাদা নাম্বার প্যাড আরো ভালোভাবে টাইপিং করার জন্য। তাছাড়া অন্ধকার বা লো লাইটে টাইপ করলে এর আরজিবি ব্যাক লাইট অনেক সাহায্য করবে আপনাকে। অস্থির হ্যাঁ।

যাদের ৪০ হাজার টাকার বাজেটে একটা ভালো ফটো এডিটিং, নরমাল ভিডিও এডিটিং বা চলার মতো গেমিং ল্যাপটপ দরকার তাদের জন্য এটা।

8. Asus Chromebook Flip C213-SA-YS02

Asus-Chromebook-Flip-C213-SA-YS02

কিছু ল্যাপটপ এর সাথে তাদের বংশের সব নাম, পদবি জড়িয়ে থাকে। তাই মুখস্ত করতে একটু কষ্ট হয়। যাই হোক এই বাজেটে ক্রোম বুক নিয়ে কথা না বললেই নয়। অনেকেই বিশেষ করে যারা শিক্ষার্থী তাদের নরমাল ও একাডেমিক ইউজের জন্য ক্রোমবুক ইউজ করে। তাই এটা এই বাজেটে একটা সেরা ক্রোমবুক হতে পারে।

এটি একটি টু-ইন-ওয়ান কনভার্টেবল ল্যাপটপ। এর স্ক্রিন সাইজ ১১.৬-ইঞ্চি এবং এর স্ক্রিন ৩৬০° পর্যন্ত রোটেট করা যাবে। তাই আপনি একটা ডাইনামিক এক্সপেরিয়েন্স পাবেন এখানে। এর স্লিম ডিজাইন ও কমপ্যাক্ট সাইজ একে একটি ট্র্যাভেল-ফ্রেন্ডলি ল্যাপটপ বানায়।

প্রসেসর হিসেবে এতে আছে ইন্টেল ডুয়াল Core Apollo Lake N3550। যেটা ক্রোম ওএস এর জন্য মোটামুটি ভালো। ৪জিবি DDR3 মেমোরি পাবেন এখানে। ক্রোম বুক অপারেট করার জন্য এই কনফিগারেশন গুলো যথেষ্ট ভালো হবে। ৩২ জিবির ফ্ল্যাশ স্টোরেজ পাবেন। এসডি কার্ড লাগিয়ে বাড়িয়ে নিতে পারবেন। ভালো জিনিষ।

এর ব্যাটারি লাইফ কিন্তু জোস। আপনি ১২ ঘণ্টার ব্যাকআপ পেতে পারেন যেটা এই বাজেটে প্রশংসনীয়। যারা উইন্ডোজ ইউজ করে অভ্যস্ত তাদের ক্রোম ওএস ভালো না লাগার কথা কিন্তু এখানে আপনি অনেক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের সাপোর্ট পাবেন। যেটা অনেকের ভালো লাগবে। সব মিলিয়ে ঠিক ঠাক আছে সবকিছু।

অর্ডার করুন/cart/button

9. HP 14-df0020nr

HP-14-df0020nr

বাজেট বা যেকোনো প্রাইসের ল্যাপটপ কিনতে গেলে সবাই তাদের চেক লিস্টে ডেল এর সাথে এইচপিকে রাখেন। এর কারণ হলো ল্যাপটপ মার্কেটে ডেল ও এইচপি উভয় ল্যাপটপ নির্মাতা তুমুল জনপ্রিয়। আর এই বাজেটে লো-রেঞ্জের গেম ও হাই কোয়ালিটি ভিডিও প্লে করতে পারে এমন এক ল্যাপটপ হলো HP-14-df0020nr।  

এটি এমন এক ল্যাপটপ যেটা বিজনেস, শিক্ষা কিংবা অন্য যেকোনো ক্যাসুয়াল কাজে অনেক কাজে লাগবে। ল্যাপটপটির ডিসপ্লে দেওয়া আছে ১৪-ইঞ্চির ফুলএইচডি প্যানেল যেটা এই বাজেটে অনেক মানানসই। এটা একটা অল-রাউন্ডার ল্যাপটপ। এটা কিনে সন্তুষ্ট হবেন।

ল্যাপটপটির অভ্যন্তরে লাগানো হয়েছে ইন্টেলের ৮ম প্রজন্মের coreTM i3-8130u প্রসেসর যার সাথে আছে ৪জিবির মেমোরি এবং ফাস্ট ১২৮ জিবির এসএসডি স্টোরেজ। এই বাজেটে এসএসডি পাওয়া খুবই অসাধারণ। এই ল্যাপটপটিসহ আরো অল্পসংখ্যক কিছু ল্যাপটপ আছে যেগুলো এসএসডি ড্রাইভ ব্যাবহার করে।

সিস্টেমটির কীবোর্ড অনেক ভালো মানের এবং এটি একটি ফুল ফ্লেজড কীবোর্ড যেটাতে আলাদা করে নাম্বার প্যাড আছে। কীবোর্ড এর কী গুলো অনেক ভালো রেসপন্স প্রদান করবে।

ল্যাপটপটি দেখতেও কিন্তু অস্থির টাইপের। এটি সিলভার কালার ফিনিশ নিয়ে আসে এবং এর লিডে একটা লোগো আছে যেটা আলো পড়লে চমকায়। এক কথায় ল্যাপটপটি অসাধারণ এবং যে কেউ এটা নিয়ে বাইরে যেতে পারবে এর টাইট এবং দৃঢ় গ্রিপ এর জন্য। যেটা খুব ভালো।

অর্ডার করুন/cart/button

10. HP Pavilion X360

HP-Pavilion-X360

আজকের ৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ এর লিস্ট শেষ করবো আরেকটি এইচপি ল্যাপটপ দিয়ে। তো আমাদের লিস্টের শেষ ল্যাপটপটি হলো HP Pavilion X360। এটি একটা কনভার্টেবল ল্যাপটপ যা এই বাজেটে অনেকেই খুঁজে থাকেন কারণ এদের ভার্সেটিলিটির জন্য।

ল্যাপটপটি প্রথমে দেখে একটু খেত মনে হতে পারে কিন্তু যখন আপনি জানবেন লাইট স্পেক্স থাকার পরও এটি মিডরেঞ্জ গেম গুলো চালাতে পারে তখন আপনি বিস্মিত হয়ে যাবেন। সত্যি।

ল্যাপটপটি চলছে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম এর উপর এবং এর স্ক্রিন সাইজ ১৫.৬ ইঞ্চি। এবং এর রেজুলেশন ফুল এইচডি। এর সিপিইউ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে ইন্টেলের core i3-8130u চিপটি। এই বাজেটে এটা বেস্ট।

৪জিবি DDR4 মেমোরি পাবেন এর সাথে যেটা এই বাজেটে ঠিক থাকলেও ১৬জিবি স্টোরেজ এই বাজেটে ঠিক না। তবে আপনি চাইলে বেশি টাকা দিয়ে বেশি স্টোরেজ ভার্সন কিনতে পারেন। এর প্রসেসরটির ক্লক স্পিড সর্বোচ্চ ৩.৬ গিগা হার্টজ পর্যন্ত যেতে পারে ও এটি ডুয়াল কোর সিপিইউ। অনেক ভালো জিনিষ পাচ্ছেন।

ল্যাপটপটি আপনি যেকোনো স্টাইলে ব্যাবহার করতে পারেন। যেমন: ট্যাবলেট স্টাইল। এর ৩৬০° হিঞ্জের কারণে আপনি একে যেকোনো অ্যাঙ্গেলে সেট করে ব্যাবহার করতে পারবেন।

ল্যাপটপটির সাথে একটা পেন ফ্রি পাবেন যা দিয়ে স্ক্রিনে কখনো কিছু ড্র করলে বা লিখলে মনে হবে আপনি একটা আসল কাগজ এর উপর কলম দিয়ে লিখছেন। ল্যাপটপটির অডিও এক্সপেরিয়েন্স অসাধারণ হবে কারণ এতে আছে এইচপির ডুয়াল স্পিকার এবং এইচপি অডিও বুষ্ট যেটা অনেক ভালো অডিও প্রেমীদের জন্য।

সুতরাং এই বাজেটে টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ খুঁজলে এই ল্যাপটপটিকে চেকলিস্টে রাখবেন।

অর্ডার করুন/cart/button

৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ কিভাবে বাছবেন ?

৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ পাওয়া খুবই কঠিন কারণ এখানে আপনি প্রত্যাশিত সকল ফিচারস পাবেন না। তবে ল্যাপটপ রিলিজ এবং রেটিংস চেক করলে আপনি নিজের জন্য একটা উপযুক্ত ল্যাপটপ পেতে পারেন খুব সহজে।

নিম্নে কিছু উপায় দেওয়া হলো কিভাবে আপনি এই বাজেটে সেরা ল্যাপটপ বাছবেন ?

১. টাচ স্ক্রিন অথবা টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ

এখনকার ল্যাপটপ মার্কেটে টাচস্ক্রিন বা টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ অনেক বেশি বিখ্যাত। কারণ যারা অনেক ভিডিও দেখেন বা নেট ব্রাউজ করেন বা লাইভ স্ট্রিমিং করেন তাদের জন্য টাচস্ক্রিন বা টু-ইন-ওয়ান অনেক ভালো হয়

টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ গুলো অনেক বেশি কাজের হয় কারণ এদের যখন ইচ্ছা তখন সাইজ বদলানো যায় ফলে যেই কাজ ল্যাপটপ সাইজে করলে ভালো হয় সেটা ল্যাপটপ মোডে করা যাবে আর যেই কাজের জন্য ট্যাবলেট মোড ভালো সেখানে ট্যাবলেট মোড কাজে লাগে

এই বাজেটেও আপনি টু-ইন-ওয়ান ল্যাপটপ পেতে পারেন তবে সেখানে আপনি নরমাল ল্যাপটপ থেকে ডাউন গ্রেডেড স্পেক্স পাবেন।

. ভালো একটা সিপিইউ

সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ কে একটা কম্পিউটার এর ব্রেইন বলা হয় আর যদি ব্রেইন ভালো না হয় তাহলে বাকি সব কিছু শেষ। এই বাজেটে একটা ভালো সিপিইউ থাকা আবশ্যক।

উপরিউক্ত লিস্টে যে কয়টি ল্যাপটপ উল্লেখ করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগই ইন্টেল core i3 এর ৮ম জেনারেশন এর প্রসেসর নিয়ে আসে।

৪০ হাজার টাকায় এর নিচে যাবেন না কারণ সেগুলো সেটা ডিজার্ভ করে না যদি না সেগুলো অন্য কিছু অসাধারণ জিনিষ নিয়ে আসে সাথে।

৩. স্ক্রিন সাইজ

ল্যাপটপের স্ক্রিন সাইজ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে ছোট স্ক্রিন চান আবার কেউ বা বড়ো স্ক্রিন এর ল্যাপটপ চান। সবার জন্য সব সাইজের স্ক্রিন ঠিক নয়। তাই নিজের উপর নির্ভর করে এই জিনিসটা। বুঝতে পারলেন তো।

তাছাড়া ৩০ থেকে ৪০ হাজার বাজেটে খুব কম ল্যাপটপই ফুল এইচডি ১৯২০ × ১০৮০পি স্ক্রিন প্রোভাইড করে। তবে লিস্টের অনেক ল্যাপটপই আপনাকে এফএইচডি স্ক্রিন রেজুলেশন দেবে।

৪. পর্টাবিলিটি

যেকোনো বাজেটে ল্যাপটপ কিনতে হলে অবশ্যই পর্টাবিলিটি কে অনেক বেশি প্রাধান্য দিবেন কেননা আপনি খুব সম্ভব ল্যাপটপ নিয়ে স্কুলে বা ঘুরতে যাবেন। সেখানে খুবই ভালো ও হালকা ওজনের এক ল্যাপটপ লাগবে আপনার।

লিস্টের বেশিরভাগ ল্যাপটপ গুলো পোর্টেবল তাই আপনাকে এটা নিয়ে কোনো চিন্তা করতে হবে না।

৫. ইন্টারগ্ৰেটেড গ্ৰাফিক্স কার্ড

যদিও এই প্রাইসে ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব জিনিষ তারপরও কিছু ল্যাপটপে ইন্টেলের ইন্টারগ্ৰেটেড জিপিউ দেওয়া থাকে– Intel UHD 620 Graphics। এই গ্রাফিক্স কার্ডগুলো অনেক হাই-এন্ড কোনো গেম বা সফটওয়্যার অপারেট, রান করতে পারবে না।

তারপরও এরকম একটা গ্রাফিক্স কার্ড থাকলে আপনি হাই কুয়ালিটিতে ভিডিও দেখতে পারবেন, কিছু হেভী অ্যাপ চালাতে পারবেন, কিছু লো গ্রাফিক্স ভিত্তিক গেম খেলতে পারবেন।

৬. অন্যান্য হার্ডওয়্যার জিনিষ

ল্যাপটপ কেনার সময় আপনাকে আরো গুরুত্ব দিতে হবে স্টোরেজ এবং মেমোরির উপর। এই বাজেটে অন্তত ৪ জিবি DDR4 মেমোরি এবং ১ টেরাবাইট বা ৫১২ জিবির স্টোরেজ আশা করতে পারেন। তাছাড়া দেখবেন ল্যাপটপটির কীবোর্ডে টাইপ করতে সহজ হবে কিনা ইত্যাদি।

প্রশ্ন: ৪০ হাজার টাকার ল্যাপটপে গেম খেলতে পারবেন ?

বাজেট রেঞ্জ এর ল্যাপটপ গুলো মডার্ন কোনো গেম চালাতে পারবে না। তবে আপনি যদি মাইনক্রেফট, সিমস বা অন্য কোনো পুরনো গেম চালান তাহলে সেটা সহজেই খেলতে পারবেন।

প্রশ্ন: ৪০ হাজার টাকার ল্যাপটপ গুলো স্টুডেন্ট এর জন্য উপযুক্ত ?

হ্যা, অবশ্যই। এই ল্যাপটপগুলো স্টুডেন্ট দের জন্য একেবারেই মানানসই। বিনা চিন্তায় এই ল্যাপটপগুলো একজন শিক্ষার্থীর সকল কাজের জন্য উপযুক্ত। ওয়ার্ড প্রসেসিং থেকে নরমাল ফটো ও ভিডিও এডিটিং পর্যন্ত করতে পারবে এই ল্যাপটপগুলো। অতএব, স্টুডেন্টরা অবশ্যই এই ল্যাপটপগুলো কেনার কথা ভাবতে পারে।

৪০ হাজার টাকায় সেরা ল্যাপটপ নিয়ে মন্তব্য

আশা করি আপনাদের সবার এই আর্টিকেল পড়ে সকল কনফিউশন দুর হয়ে গেছে। ৪০ হাজার টাকার ল্যাপটপ এর চাহিদা যেহেতু দেশে বেশি তাই আমরা আজ এই গাইডটি বানিয়েছি। 

বাংলাদেশে যারা ল্যাপটপ ক্রয় করেন তাদের বেশিরভাগ সাধারণত কোনো ওয়ার্ড প্রসেসিং বা নরমাল পাওয়ার পয়েন্ট ফাইল তৈরি করা বা ছবি সম্পাদন করা বা মিডিয়া কনজিউম এর জন্য ল্যাপটপ কিনে থাকেন। সবাই জানেন এটা।

৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকায় যে কোনো ল্যাপটপ কেনা সম্ভব তবে অনেক সময় সেটা ঠিক হয় না।

তাই আশা করি আপনাকে এই বায়িং গাইড অনেক বেশি সাহায্য করেছে। যদি আপনাদের অন্য কোনো সমস্যা থাকে বা অন্য কোনো কিছু জানার ইচ্ছা আছে সেটা কমেন বক্সে জানান।

আর কিছু বলবো না। আপনি ইচ্ছা করলে আর্টিকেলটা আপনার বন্ধু বা পরিবারের নিকট পাঠিয়ে দিতে পারেন। আর আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করতে পারেন। লিংক নিচে আছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ

1 মন্তব্য

আমরা স্প্যাম ঘৃণা করি!

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমরা স্প্যাম ঘৃণা করি!

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো