-->

৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা মোবাইল [২০২০]

Best+Smartphone+Under+30000+Taka

আপনি কি ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা মোবাইল খুঁজছেন? এত শত স্মার্টফোনের মাঝে নিজের জন্য যথার্থ স্মার্টফোনটি খুঁজে পাচ্ছেন না? ভেবে পাচ্ছেন না কোনটা ছেড়ে কোনটা নিবেন? এই সব প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ বোধক হয় তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় এসেছেন।

বাংলাদেশে স্মার্টফোনে বাজারে যেই সেগমেন্টে সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যায় সেটা হচ্ছে মিড-রেঞ্জ সেগমেন্ট। শাওমি, স্যামসাং, রিয়ালমি, অপো, ভিভোর ফোন দিয়ে এই সেগমেন্ট ভরা। এছাড়া দেশীয় কোম্পানিগুলোর ফোনও আছে এই সেগমেন্টে।

তাই এত বেশি স্মার্টফোনের মাঝে নিজের জন্য উৎকৃষ্ট ফোনে খুঁজে পাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ। কিছু ফোনে আছে ডিসপ্লে ভালো, কিছু আছে পারফরম্যান্স ভালো, কিছু আছে ক্যামেরা ভালো, কিছু ফোনের ডিজাইন সকলের মন কাড়ে ইত্যাদি।

আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সংকলন করেছি ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ফোন সমূহ। এই ফোনগুলোর যেকোনো টাই আপনি কিনেন না কেনো আপনি হতাশ হবেন না গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি। এই লিস্ট প্রত্যেকটি ফোনে সব দিক দিয়ে ভারসাম্য বজায় আছে।


আরো পড়ুন:

৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ফোন [২০২০]

বিঃদ্রঃ আজকের লিস্টে বর্ণিত মোবাইল গুলোর দাম মার্কেট ভেদে কম বেশি হতে পারে। সব মার্কেটে সব সময় ফোনগুলোর নাও পাওয়া যেতে পারে। স্মার্টফোনে গুলো মূলত প্রদত্ত   কোম্পানির নিজস্ব এবং বাহিরের স্টোরে পাওয়া যাবে। অনলাইনেও কিনতে পারবেন। লকডাউন উঠিয়ে নেওয়ার পর ফোনগুলোর প্রাইস বাড়তে পারে। alert-info

1. Xiaomi Redmi Note 9 Pro Max

Redmi+Note+9+Pro+Max

ডিসপ্লে: ৬.৬৭ ইঞ্চি, এলসিডি, ২৪০০ × ১০৮০ | সিপিইউ: Snapdragon 720G | জিপিউ: Adreno 618 | ক্যামেরা: ৬৪+৮+৫+২ মেগা পিক্সেল রিয়ার, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৬/৮ জিবি | স্টোরেজ: ৬৪/১২৮জিবি | ব্যাটারি: ৫০২০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০, মিইউআই ১১ alert-success

আমাদের আজকের এই মোবাইল বায়িং লিস্ট সর্বপ্রথম স্মার্টফোনে টি হচ্ছে Xiaomi Redmi Note 9 Pro Max। স্মার্টফোনটির দেশে আন অফিসিয়াল দাম ২৭,৫০০ টাকা। এই বাজেটে এটি একটি সেরা ফোন।

ফোনটিতে থাকছে ৬.৬৭-ইঞ্চি এর বড়ো ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ফুল এইচডি প্লাস এবং এটি একটি আইপিএস টেকনোলজি ভিত্তিক ডিসপ্লে, ডিসপ্লে তে থাকছে একটা কাট আউট ফ্রন্ট ফেসিং ক্যামেরার জন্য। যেটা ফোনটিকে একটা বেজেল লেস মডার্ন লুক দান করে। 

ফোনটির অভ্যন্তরে থাকছে Snapdragon 720G প্রসেসর, যেটা একটা গেমিং অপটিমাইজড চিপ। এর সাথে থাকছে একটা পাওয়ার ফুল জিপিইউ। ফোনটিতে যেকোনো হাই-এন্ড গেম আরামসে খেলতে পারবেন। আর বেশিক্ষন ধরে গেম খেলার জন্য ফোনটিতে দেওয়া আছে ৫০২০ মিলি এম্প আওয়ার এর বড়ো ব্যাটারি। alert-info

ফোনটি ব্যাক প্যানেল এর মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে গ্লাস। এবং এটি হাতে একটা প্রিমিয়াম ফীল দেয়। ফোনটির পিছনে ক্যামেরা অ্যারে স্থাপন করা হয়েছে উপরিভাগের মাঝখানে। এটির ব্যাক প্যানেলের ক্যামেরা ডিজাইন এই বাজেটে অন্যান্যদের থেকে আলাদা, যা কারো কারো ভালো লাগবে।

ফোনটির ওএস হিসেবে থাকছে মিইউআই ১১ যা অ্যান্ড্রয়েড ১০ এর উপর চলছে এবং অতি শীঘ্রই পেতে যাচ্ছে মিইউআই ১২ আপডেট। বক্সে পেয়ে যাবেন একটি ফাস্ট চার্জার যার সাহায্যে আপনি ফোনটি দ্রুত চার্জ করতে পারবেন। পাশাপাশি ফোনটিতে ইউএসবি ৩.১ পোর্ট, হেড ফোন জ্যাক তো থাকছেই। 

ফোনটিতে থাকছে ৬৪ মেগাপিক্সেল এর প্রাইমারি রিয়ার ক্যামেরা এবং এর পাশাপশি থাকছে আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স, ডেপথ সেন্সর। ফোনটি মোটামুটি ভালো ছবি তুলে এবং এর কোয়ালিটি ও ভালো। ফোনটির ভিডিও কোয়ালিটিও প্রাইস অনুসারে ভালো এবং ভিডিও শুট করার জন্য আপনি পেয়ে যাবেন একটা আলাদা প্রো মোড।

তবে ফোনটির কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। প্রথমত, ফোনটির ওজন অনেক বেশি। আপনার হাতে যদি বড়ো সড় মাপের ফোন না আটে তাহলে এটি আপনার জন্য না। ফোনটি অনেক মোটাসাটা এবং সাইজে বড়ো হওয়ায় আপনার পকেটেও না যেতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই সমস্যা হবে না আশা করছি। 

দ্বিতীয়ত, ফোনটির সাথে শাওমি আপনাকে বিনা মেঘের বৃষ্টি দেবে! অর্থাৎ এতে প্রচুর ব্লোটওয়্যার থাকবে। তবে সেগুলো আপনি আন-ইন্সটল করতে পারবেন। তৃতীয় কারণ হচ্ছে, এর আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল। এই বাজেটে অ্যামোলেড সবাই আশা করে। কিন্তু Redmi Note 9 Pro Max এ থাকছে না। এছাড়া ফোনটির লো- এর ভিডিও রেকর্ডিং অনেক বেশি ভালো না।

এই সব কমতি গুলো উপেক্ষা করতে পারলে আপনি নিশ্চিন্তে এই ফোনটা নিতে পারেন এবং আমার মতে এই বাজেটের একটা বেস্ট ফোন এটি।

2. Poco X2 Pro

Poco+X2

ডিসপ্লে: ৬.৬৭ ইঞ্চি, এলসিডি, ২৩৪০ × ১০৮০, ১২০ হার্টজ | সিপিইউ: Snapdragon 730G | জিপিউ: Adreno 618 | ক্যামেরা: ৬৪+৮+২+২ মেগাপিক্সেল | স্টোরেজ: ৬৪/১২৮/২৫৬ জিবি | ব্যাটারি: ৪৫০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: মিইউআই ১১, অ্যান্ড্রয়েড ১০ alert-success

এই লিস্টে আরেকটি শাওমির ফোন থাকছে Poco X2 Pro। এটি চীনে লঞ্চ হওয়া Redmi K30 এর রিব্র্যান্ডেড ভার্সন যেটা টার্গেট করে ইন্ডিয়ান মার্কেট। ফোনটির মধ্যে Poco F1 এর মত স্পেক্স না থাকলেও ফোনটি বাজেট অনুসারে ভালো। 

ফোনটির ডিসপ্লে ৬.৬৭-ইঞ্চি এর এলসিডি প্যানেল সমর্থিত। ডিসপ্লের রেজুলেশন হলো ২,৩৪০ × ১০৮০ তথা ফুল এইচ ডি প্লাস। ফোনটির একটি মেইন সেলিং পয়েন্ট হলো এর ডিসপ্লে কারণ এতে থাকছে ১২০ হার্টজ এর রিফ্রেশ রেট (যেটা এই বাজেটে দুর্লভ) এবং একটি পাঞ্চ হোল কাট-আউট। এছাড়া এতে থাকছে এইচডিআর ১০ এর সমর্থন। এতে এইচডিআর ১০ সাপোর্টেড ভিডিও উপভোগ করলে ডিসপ্লেটি আরো মন মুগ্ধকর লাগবে।

এর চিপসেট হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে Snapdragon 730G। এটি Snapdragon 720G থেকে গেমিং এর দিক দিয়ে সামান্য ভালো। এবং এটি ৮ ন্যানোমিটার টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে বানানো বলে ব্যাটারি লাইফ ভালো পাবেন। চিপটিতে জিপিইউ হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে Adreno 618। আপনি Poco X2 তে স্বাচ্ছন্দ্যে পাবজি মোবাইল, কল অফ ডিউটি মোবাইল খেলতে পারবেন।

Poco X2 এর পিছনে থাকছে কোয়াড ক্যামেরা সেটআপ। যেখানে মূল ক্যামেরা ৬৪ মেগাপিক্সেল এর। সাথে থাকছে ৮ মেগাপিক্সেল এর আল্ট্রা ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স, ২ মেগাপিক্সেল এর ডেপথ সেন্সর এবং ম্যাক্রো লেন্স। ক্যামেরার কথা বললে একে ভালোর কাতারেই রাখা যায়। ভালো লাইট দিলে ফোনটির ক্যামেরা দিয়ে তুলা ছবি অনেক ভালো উঠবে। এইচডিআর ঠিক মত কাজ করে বলে শ্যাডো ভালো মেইনটেইন করতে পারে। ফোনটি সর্বোচ্চ 4K ৩০ এফসিপিএসে ভিডিও রেকর্ড করতে পারে। 

ফোনটির ২০ মেগা পিক্সেল এর ফ্রন্ট ক্যামেরাও ভালো ছবি তুলতে সক্ষম। এর সাথে পোট্রেট শট এর জন্য থাকছে আলাদা ডেপথ সেন্সর। ফোনটিতে ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে ৪,৫০০ মিলি এম্প আওয়ার এর। যেটা আপনাকে সহজেই একদিনের ব্যাকআপ দিবে। সেটা ১২০ হার্টজ এর রিফ্রেশ রেট এ ৬০ হার্টজ এ দিয়ে ব্যাবহার করলে আরো ভালো ব্যাকআপ পাবেন। সাথে ২৭ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জার থাকায় ১ ঘণ্টার কিছু মিনিট পর ফোনটি ফুল চার্জ হয়ে যাবে। ফোনটির ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর ডান সাইডে রাখা হয়েছে, থাকছে ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট, হেডফোন জ্যাক, ডুয়াল-সিম স্লট, এক্সপান্ডবল স্টোরেজ। alert-info

যদি আপনার Redmi Note 9 Pro Max ভালো না লাগে লাগে তাহলে আরো ভাল চিপ সম্পন্ন Poco X2 নিতে পারেন।

3. RealMe 6 Pro

RealMe+6+Pro

ডিসপ্লে: ৬.৬ ইঞ্চি, এলসিডি, ফুল ২৪০০ × ১০৮০, ৯০ হার্টজ | সিপিইউ: Snapdragon 720G | জিপিউ: Adreno 618 | ক্যামেরা: ৬৪+১২+৮+২ মেগাপিক্সেল রিয়ার, ১৬+৮ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৬/৮ জিবি | স্টোরেজ: ১২৮ জিবি | ব্যাটারি: ৪,৩০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০, রিয়ালমি ইউআই alert-success

লিস্টে আমরা ৩ নম্বরে রেখেছি RealMe 6 Pro স্মার্টফোনটি। ফোনটি এখন একটু পুরনো হলেও আজও এর স্পেসিফিকেশন বড় বড় মিডরেঞ্জ ফোনকে হার মানায়। তাই একে উপেক্ষা করার মত কোনো কারণ নেই।

ফোনটির ডিসপ্লে হিসেবে থাকছে ৬.৬-ইঞ্চি এর আইপিএস প্যানেল। এর রেজুলেশন ২,৪০০ × ১০৮০ যেটা ফুল এইচডি প্লাস। এর ডিসপ্লে এর মূল আকর্ষণ হচ্ছে এর ৯০ হার্টজ এর রিফ্রেশ রেট। এর ডিসপ্লে এর পিপিআই ডেনসিটি ৩৯৯। ফোনটির সুরক্ষার জন্য ব্যাবহার করা হয়েছে গরিলা গ্লাস ৫। 

ফোনটির মেইন সিস্টেম-অন-চিপ হচ্ছে Snapdragon 720G। আগেই এই প্রসেসর সমন্ধে বলেছি। এতে থাকছে Adreno 618 জিপিইউ। আপনি এতে অনায়াসে পাবজি মোবাইল, কল অফ ডিউটি, অ্যাশপল্ট ৯ খেলতে পারবেন। এর দুটো ভার্সন আছে একটি ৬ জিবি মেমোরি ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ এবং অন্যটি ৮ জিবি মেমোরি ১২৮ জিবি স্টোরেজ।

ফোনটির ব্যাটারির সাইজ ৪,৩০০ মিলি এম্প আওয়ার। এতে আপনি সহজেই একদিনের ব্যাকআপ পাবেন।(৬০ হার্টজে আরো ভালো ব্যাকআপ পাবেন) ফলে হেভী গেমিং, ব্রাউজিং, ভিডিও স্ট্রিমিং অনেকক্ষন করতে পারবেন। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, এতে আছে অপোর Vooc Charge 4.0 যেখানে এটি প্রতি সেকেন্ডে ৩০ ওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে। এবং আপনার ফোন খুব দ্রুত চার্জ করে দেবে। alert-info

ফোনটির পিছনে পাবেন ৪ টি ক্যামেরা যেখানে এরও প্রাইমারি শুটার ৬৪ মেগাপিক্সেল (F/1.8), ১২ মেগাপিক্সেল এর টেলিফটো লেন্স, ৮ মেগাপিক্সেল এর ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স, ২ মেগাপিক্সেল এর ম্যাক্রো লেন্স। বুঝতেই পারছেন– এর ক্যামেরা পুরোই ফ্লেক্সিবল। আপনি যখন ইচ্ছা অবজেক্ট এর কাছে যেতে পারেন টেলিফটো লেন্স ব্যাবহার করে, আরো বেশি ফ্রেমে ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স লেন্স দ্বারা ছবি তুলতে পারেন। এর ক্যামেরা কোয়ালিটিও ভালো।

ফোনটির ফ্রন্টে আছে ১৬ মেগা পিক্সেল (F/2.1) এর ক্যামেরা এর সাথে আছে ৮ মেগা পিক্সেল এর (F/2.2) ওয়াইড সেন্সর। তাই আপনার সেলফিতে আরো বেশি মানুষ ফিট করতে পারবেন। ফোনটি চলছে রিয়ালমি ইউআই এর উপর এবং এর অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১০।  ফোনটিতে থাকছে সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার।

আর হ্যা, এর ডিজাইন নিয়ে কিছুইতো বলা হয়নি। ফোনটির ব্যাক প্যানেল ব্যাবহার করা হয়েছে পলি কার্বনেট এবং দেওয়া হয়েছে গ্ৰেডিয়েন্ট ডিজাইন। ডিজাইনটি অনেক সুন্দর এবং সবারই ভালো লাগবে। তাছাড়া ফোনটির ডিসপ্লে তে কাট-আউট ব্যাবহার করার কারণে এতে আছে বেজেল লেস মডার্ন ডিজাইন।

তবে কোনো ফোনই পারফেক্ট নয় তাই এতেও আছে সীমাবদ্ধতা যেমন: এর ভলিউম বাটন গুলো চিপ ফীল দেয়, রিয়ালমি ইউআই সবার বাসায় নাও জাগা পেতে পারে, যদি আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা আরো ভালো ইমেজ বের করতে পারতো তাহলে এর ক্যামেরা আরো ভালো হতো।

আপনার যদি রিয়ালমি এর ফোন অনেক ভালো লাগে তাহলে আপনি RealMe 6 Pro দেখতে পারেন।

4. Samsung Galaxy A51

Galaxy+A51

ডিসপ্লে: ৬.৫ ইঞ্চি, সুপার অ্যামোলেড, ১০৮০ × ২৪০০ | সিপিইউ: Exynos 9611 | জিপিউ: Mali G-72 | ক্যামেরা: ৪৮+১২+৫+৫ মেগাপিক্সেল রিয়ার, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৪/৬ জিবি | স্টোরেজ: ৬৪/১২৮ জিবি | ব্যাটারি: ৪,০০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০, ওয়ান ইউআই ২.০ alert-success

এই লিস্টে থাকা প্রথম স্যামসাং ফোন হলো Samsung Galaxy A51। ফোনটি এবছরের জনুয়ারিতে বের হয়। এখন পর্যন্ত সরাবিশ্বে সবচেয়ে বিক্রি হওয়া ফোন এটি। এর বাংলাদেশে দাম ২৯,৯৯৯ টাকা অফিসিয়ালি।

ফোনটিতে থাকছে ৬.৫-ইঞ্চি এর বড়ো অ্যামোলেড ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ২৪০০ × ১০৮০ পি। সাথে ফোনটিতে ফুল ভিউ এক্সপেরিয়েন্স দেওয়ার জন্য আছে পাঞ্চ হোল কাট-আউট। অ্যামোলেড ডিসপ্লে যে কতটা জোস সেটা আপনারা সবাই জানেন। ফোনটি আপনাকে Galaxy S20 এর ফীল দেবে।

ফোনটির পিছনে স্যামসাং ব্যাবহার করেছে পলি কার্বনেট ব্যাক। তারা একটু আকর্ষণীয় করার জন্য ফোনটির ব্যাক এ আলো পড়লে যেনো রিফ্লেকশন হয় সেই ব্যবস্থা করেছে। অন্যান্য 'A' সিরিজ এর ফোনগুলোর মত এর ব্যাক ডিজাইনও অনেক আকর্ষণীয়। এতে থাকছে স্ট্রাইপ ডিজাইন যেটা অন্যান্য স্যামসাং ফোনেও আমরা দেখেছি।

ফোনটির অভ্যন্তরে ব্যাবহার করা হয়েছে Samsung Exynos 9611 চিপসেট টি। এর চারটি কর্টেক্স A73 কোর এর ক্লক স্পীড ২.৩ গিগাহার্টজ। এবং ৪টি লো পাওয়ার কর্টেক্স A53 কোর এর ক্লক স্পীড ১.৭ গিগাহার্টজ। এর ডুয়াল ক্লাস্টার অ্যারেঞ্জ মেন্ট এই বাজেটের অন্যান্য ফোনের মতই। আপনি এটাতে সহজেই পাবজী মোবাইল, কল অফ ডিউটি মোবাইল খেলতে পারবেন। পাবজী মোবাইল ফোনটি HD Graphics এ চালাতে পারে, এমনকি HDR এও চালাতে সক্ষম। আর এর সুন্দর স্ক্রিন গেম খেলার অভিজ্ঞতা আরো ভালো করে দিবে। alert-info

ফোনটির ব্যাটারি সাইজ ৪,০০০ মিলি এম্প আওয়ার। এর ব্যাটারি সাইজ লিস্টে অন্যান্য ফোনের তুলনায় কম হলেও এটি আপনাকে এক দিন সহজেই পার করে দিবে। আপনাকে বিকেলে হয় তো বা ফোনটি চার্জে লাগাতে হবে। ফোনটির সম্পূর্ণ চার্জ হতে লাগবে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতোন ।

ফোনটিতে থাকছে অ্যান্ড্রয়েড এর লেটেস্ট ভার্সন অ্যান্ড্রয়েড ১০। তার উপর চলছে স্যামসাং এর লেটেস্ট ওয়ান ইউআই ভার্সন ২.০। ফোনটি সম্প্রীতি একটা সফটওয়্যার আপডেট পেয়েছে যেখানে এপ্রিল মাসের সিকিউরিটি প্যাঁচ এসেছে। ওয়ান ইউআই ২.০ নিয়ে বলার মত কিছু নেই। আমার ফেভারিট অ্যান্ড্রয়েড স্কিন এটি। এতে আপনি কাস্টোমাইজেশনের ফিচারস সহ সকল স্টক অ্যান্ড্রয়েড এর ফিচারস পেয়ে যাবেন।

ফোনটিতে পাবেন ইউএসবি-সি পোর্ট, হেডফোন জ্যাক, অলওয়েজ অন ডিসপ্লে, ডুয়াল-সিম স্লট, এক্সপান্ডাবল স্টোরেজ। ফোনটির স্পিকার এর ভলিউম ও মোটামুটি ভালো। এর একটা মাত্র স্পিকার আছে নিজের দিকে। স্পিকার একটা না হোয়ে দুটো থাকলে আমরা স্টেরিও স্পিকার এর ফীল পেতাম।

সর্বোপরি, দেশে এই বাজেটের Samsung Galaxy A51 একটি অসাধারণ ফোন। আপনি Samsung এর পাখা হলে এটা নেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।

5. Samsung Galaxy M31

Galaxy+M31

ডিসপ্লে: ৬.৪ ইঞ্চি, সুপার অ্যামোলেড, ২৩৪০ × ১০৮০ | সিপিইউ: Exynos 9611 | জিপিউ: Mali G-72 | ক্যামেরা: ৬৪+৮+৫+৫ মেগাপিক্সেল রিয়ার, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৬ জিবি | স্টোরেজ: ৬৪/১২৮ জিবি | ব্যাটারি: ৬,০০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০, ওয়ান ইউআই ২.০ alert-success

আমাদের আজকের লিস্টে আরেকটি স্যামসাং এর ফোন আমরা নির্বাচন করেছি, যেটা Samsung Galaxy M31। ফোনটির বাংলাদেশে দাম পরবে ২৩,৯৯৯ টাকা অফিসিয়ালি।

Samsung Galaxy M31 এর ডিসপ্লে ৬.৪-ইঞ্চি এর ফুল এইচডি প্লাস রেজুলেশন সমৃদ্ধ এবং এর টেকনোলজি অ্যামোলেড যেটা কিনা আপনাকে কালার গুলো বেশি পঞ্চি দেখাবে। ডিসপ্লেটি ওয়াইড-ভিউয়িং এঙ্গেল অফার করে এবং বড়ো স্ক্রিনে মুভি এবং গেম খেলার অনুভূতি অনেক আনন্দদায়ক। ডিসপ্লেটি কর্নিং-গরিলা গ্লাস ৩ দ্বারা সুরক্ষিত। ডিসপ্লের ব্লু লাইট কমানোর জন্য ফোনটিতে পাবেন ব্লু লাইট ফিল্টার। এছাড়া পাবেন একটি ইউনিভার্সাল ডার্ক মোড।

Samsung Galaxy M31 স্যামসাং এর ১০ ন্যানো মিটার টেকনোলজির উপর ভিত্তি করে বানানো Exynos 9611 চিপসেট টি ব্যাবহার করছে। এর পূর্ব পুরুষ এর মধ্যেও একই প্রসেসর টি ব্যাবহার করা হয়েছিল। প্রসেসরটির পারফরম্যান্স Samsung Galaxy A51 এর মত হবে। তাই নিশ্চিন্তে আপনি পাবজি মোবাইল, কল অফ ডিউটি মোবাইল খেলতে পারবেন। ফোনটিতে পাবেন ৬ জিবি মেমোরি এবং ৬৪ কিংবা ১২৮ জিবি স্টোরেজ। এর ৬ জিবি মেমোরি অ্যাপস চালানো আর মাল্টি টাস্কিং সাবলীল  করে দেবে।

ফোনটির ডিজাইন নিয়ে কথা বলবো– ফোনটির পিছনের ডিজাইন অনেকটা এর পূর্ব পুরুষ Galaxy M30 এর মত। ফোনটির ব্যাক প্যানেল অনেক বেশি শাইনি এবং অনেক ফিঙ্গারপ্রিন্ট লেগে থাকে। তাই কেস ব্যাবহার করতে হবে। পিছনে পাবেন কুয়াড ক্যামেরা সেটআপ। ফোনটির ডিসপ্লেতে ব্যাবহার করা হয়েছে ইউ শেপের নচ, যেটা ফোনটাকে একটা মডার্ন লুক দেবে। যদিও এখন প্রায় সকল ফোনেই ব্যাবহার করা হচ্ছে পাঞ্চ-হোল কাট আউট। alert-info

Samsung Galaxy M31 এর একটি মূল আকর্ষণ এর ক্যামেরা। ফোনটিতে থাকছে ৪ টি ক্যামেরা যেখানে পিছনের মূল ক্যামেরাটি ৬৪ মেগাপিক্সেল এর লেন্স সাথে থাকছে ৫ মেগা পিক্সেল এর ম্যাক্রো লেন্স, ৮ মেগা পিক্সেল এর আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স ও ৫ মেগা পিক্সেলের দেপথ সেন্সর। ফোনটির সামনে আছে ৩২ মেগাপিক্সেল এর সেলফি ক্যামেরা। ফোনটির ক্যামেরা পারফরম্যান্স আপনাকে সন্তুষ্ট করবে। পাশাপাশি আপনি 4K তে উভয় ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন। 

ফোনটির ব্যাটারি সাইজ ৬,০০০ মিলি এম্প আওয়ার। ভাবতেই পারছেন এত বেশি ব্যাটারি সাইজ এই বাজেটের অন্য কোনো ফোনে পাবেন না। আপনাকে এটি দের দিনের বেশি ব্যাকআপ দিবে। আর এত বড়ো ব্যাটারি চার্জ করার জন্যও পাবেন একটা ফাস্ট চার্জার যেটা আপনার ফোন ২ ঘণ্টার মধ্যে ফাস্ট চার্জ করে দেবে। ফোনটির ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আছে পেছন দিকে। থাকছে ডুয়াল সিম স্লট, অলওয়েজ অন ডিসপ্লে, হেড ফোন জ্যাক সহ আরো অনেক কিছু।

আপনার যদি অস্থির ব্যাটারি লাইফ অনেক বেশি প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি স্যামসাং এর এই বাজেট ফ্রেন্ডলি ফোনটি কিনতে পারেন। 

6. Vivo S1 Pro

Vivo+S1+Pro

ডিসপ্লে: ৬.৩৯ ইঞ্চি,সুপার অ্যামোলেড, ফুল এইচডি প্লাস | সিপিইউ: Snapdragon 665 | জিপিউ: Adreno 612 | ক্যামেরা: ৪৮+৮+২+২ মেগাপিক্সেল রিয়ার, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৮ জিবি | স্টোরেজ: ১২৮ জিবি | ব্যাটারি: ৪,৫০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ৯, ফান টাচ alert-success

এই বাজেটে আমরা আরেকটি ফোন রেখেছি Vivo S1 Pro। ফোনটির স্টাইল এর জন্য ফোনটি আমরা এই লিস্টে রেখেছি। এটি এই বছরই বাংলাদেশে লঞ্চ হয়। 

ফোনটির ডিসপ্লে হিসেবে দেওয়া আছে একটা সুপার অ্যামোলেড প্যানেল। এবং এর সাইজ ৬.৩৯- ইঞ্চি এবং এটি একটি ফুল এইচডি প্লাস রেজুলেশন সমৃদ্ধ ডিসপ্লে। ফোনটির ডিসপ্লের কালার-ক্যালিব্রেশন অনেক ভালো এমন কি এই বাজেটের RealMe X2 এর থেকেও এর ডিসপ্লে ভালো। মাথায় রাখবেন অ্যামোলেড প্যানেল তাই আপনি কালার অনেক সুন্দর পাবেন। তাছাড়া ডিসপ্লেটি DRML1 সার্টিফিকেট সমৃদ্ধ এবং নেটফ্লিক্স এবং প্রাইম ভিডিওতে আপনি এইচডি স্ট্রিমিং করতে পারবেন।

Vivo S1 Pro ফোনটি আপনার হাতে নেওয়ার পরই আপনাকে এর ডিজাইনের প্রশংসা করতে হবে। ফোনটির পিছনে আছে ডায়মন্ড শেপের ক্যামেরা অ্যারে, যেটা এই ফোনটি কে একটা ইউনিক লুক দেয়। ফোনটি পাওয়া যাবে মিস্টিক ব্ল্যাক, জ্যাজি ব্লু এবং ড্রিমি হোয়াইট কালারে। ফোনটির ডিজাইন এর জন্য ভিভো আসল গ্লাস কিংবা  আসল ধাতু ব্যাবহার না করলেও ফোনটি হাতে নিলে একটা প্রীমিয়াম ফীল পাবেন।

ফোনটির চিপসেট হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে Snapdragon 665। একটু খোজ নিলে দেখবেন এই বাজেটের অন্যান্য ফোন সাধারণত Snapdragon 700 সিরিজ এর প্রসেসর নিয়ে আসে। তবুও এর ৮জিবি মেমোরি থাকায় আপনি হেভী মাল্টি টাস্কিং করতে পারবেন। তাছাড়া গেমও ভালো চলবে। তবে আপনার ফোন কেনার মূল কারণ যদি হয় গেম খেলা তাহলে এই ফোনটা না নিয়ে অন্য কিছু খুঁজুন।

ফোনটির পিছনে থাকছে ৪টি ক্যামেরা এবং প্রাইমারি ক্যামেরা ৪৮ মেগা পিক্সেল এর। সাথে থাকছে ৮ মেগাপিক্সেল এর আল্ট্রা-ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স, ২ মেগাপিক্সেল এর ডেপথ সেন্সর ও ম্যাক্রো লেন্স। ফোনটির ক্যামেরা এর কথা বললে বলবো– আপনাকে নিরাশ করবে না। এই বাজেটের সেরা না কিন্তু এই বাজেটের সবচেয়ে ফালতুও না। ক্যামেরার জন্য এই ফোনটি উপেক্ষা করবেন না। সামনে আছে একটা ৩২ মেগা পিক্সেল এর ফ্রন্ট ক্যামেরা। আপনার সুন্দর মুখের ছবি আপনি সুন্দরভাবেই তুলতে পারবেন। alert-info

ফোনটির ব্যাটারি এর সাইজ ৪,৫০০ মিলি এম্প আওয়ার। এবং এটি আপনাকে এক দিনের ব্যাকআপ দেওয়ার পরও বেশ কিছুক্ষন চলবে। এছাড়া এই ব্যাটারি চার্জ করার জন্য থাকছে ১৮ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জার। ফোনটি চলছে অ্যান্ড্রয়েড ৯ এর ফানটাচ ওএস এর উপর। ফানটাচ ওএস আপনাদের সকলের ভালো না লাগলেও কারো কারো ভালো লাগবে। এছাড়া ফোনটিতে আপনি পাবেন ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার। 

আপনার যদি একটা স্টাইলিশ ভিভো ফোন এর প্রয়োজন হয় তাহলে আপনি এই ফোনটি দেখতে পারেন।

7. Xiaomi Redmi K20

ডিসপ্লে: ৬.৩৯ ইঞ্চি, সুপার অ্যামোলেড, ২৩৪০ × ১০৮০ | সিপিইউ: Snapdragon 730 | জিপিউ: Andreno 618 | ক্যামেরা: ৪৮+১৩ মেগাপিক্সেল ব্যাক, ২০ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট | মেমোরি: ৬ জিবি | স্টোরেজ: ৬৪ জিবি | ব্যাটারি: ৪০০০ মিলি এম্প আওয়ার | ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ৯, মিইউআই ১১ alert-success

আজকের এই লিস্টের সর্বশেষ ফোনটি হচ্ছে Xiaomi Redmi K20। যদিও এই ফোনটি গত বছর বের হয় তবুও এখনও ফোনটির স্পেসিফিকেশন অন্যান্য  ভালো ভালো ফোনদের হার মানায়।

ফোনটির মেইন-সেলিং পয়েন্ট হলো এর ডিসপ্লে কারণ এটি আপনাকে অফার করছে একটি ফুলভিউ প্যানেল যেখানে না আছে কোনো নচ না আছে কোনো কাট-আউট। তাই আপনি সম্পূর্ণ একটা ফুলভিউ স্ক্রিন এর এক্সপেরিয়েন্স পাবেন। তাছাড়া ফোনটির ডিসপ্লে টেক হিসেবে ব্যাবহার করা হয়েছে অ্যামোলেড প্যানেল, যেটা এর ভিভিড কালার দিয়ে আপনার কন্টেন্ট উপভোগ করা আরো বাড়িয়ে তুলবে। তাছাড়া ব্যাটারিও সেভ করবে।

Xiaomi Redmi K20 ফোনটির ডিজাইনও অনেক আকর্ষণীয়। এবং তার পাশাপশি আপনি দেখতে পাবেন একটি পপ-আপ মডিউল, যেটা কিনা আপনার ফোনকে ২০২০ সালেও একটা ফিউচারিস্টিক লুক দেবে। কারণ আপনি যখন এর ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাবহার করবেন তখন সবাই আপনার ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকবে। কারণ এখনও অনেকে এই টেকনোলজি সমন্ধে জানে না।

ফোনটির প্রসেসর হিসেবে অভ্যন্তরে কাজ করছে Snapdragon 730। এই প্রসেসরটি আপনার যাবতীয় কার্যক্রম সহজেই সামলাতে পারবে। তার পাশাপাশি গেমিং এক্সপেরিয়েন্সও এই ফোনটিতে ভালো হবে। এই লিস্টের গেম খেলার ফোনগুলোর মধ্যে এটা ২য় অবস্থানে থাকবে। ফোনটিতে পাবেন ৬ জিবি মেমোরি এবং ৬৪জিবি স্টোরেজ। তবে ফোনটিতে আলাদা করে মেমোরি কার্ড লাগানোর উপায় নেই। alert-info

ফোনটির মিইউআই ১১ স্কিনটি চলছে অ্যান্ড্রয়েড ৯ অপারেটিং সিস্টেমের উপর। যদিও এখন এটি পুরনো তবে আপনি অ্যান্ড্রয়েড ১০ এর আপডেট পাবেন। এরপর ফোনটির ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৪,০০০ মিলি এম্প আওয়ার। তাই ব্যাটারি নিয়ে চিন্তা করার কিছু নেই। ফোনটিতে পাবেন ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার। তাছাড়া পাবেন ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট, ডুয়াল সিম কার্ড লাগানোর সুবিধা। 

ফোনটির পিছনে আপনি পাবেন ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ, যেখানে মূল বা প্রাইমারি ক্যামেরা ৪৮ মেগাপিক্সেলের এবং সেকেন্ডারী লেন্স যেটা ১৩ মেগাপিক্সেলের। সামনে ২০ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা আছে।

ফোনটির ক্যামেরা ভালই রেজাল্ট দেবে তবে এই বাজেটে সেরা নয়। ক্যামেরার জন্য এই ফোনটি কিনবেন না। কারণ এই বাজেটের এখন প্রায় প্রত্যেকটি ফোনেই আপনি পাবেন কোয়াড ক্যামেরা আর তা না হলে ট্রিপল ক্যামেরা। আর এই বাজেটের অনেক ফোনেই এর চেয়ে ভালো ক্যামেরা পাবেন।

আপনার যদি একটা ফুলভিউ ডিসপ্লে ওয়ালা ফোন লাগে যার সব কিছু ঠিকঠাক তাহলে এই ফোনটি নিতে পারেন।

মতামত

আমাদের এই পোস্টটি এতক্ষন ধরে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আপনাদের এই আর্টিকেল টি পড়ে আপনার ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ফোন এর কনফিউশন দূর হয়েছে। সর্বোপরি, আমাদের আর্টিকেল টি ছড়িয়ে দিন এবং আর্টিকেলে কোনো ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। এর হ্যাঁ, আপনার প্রিয় ৩০ হাজার টাকার মধ্যে সেরা ফোন কমেন্ট করে জানান।

Post a Comment

আমরা স্প্যাম ঘৃণা করি!

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো