-->

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫১ রিভিউ

বর্তমানে বাংলাদেশে স্মার্টফোন বাজারে মিড-রেঞ্জ সেগমেন্ট নিঃসন্দেহে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ে কাস্টমারদের। কম দামে হাই-এন্ড স্পেক্স পাওয়ার জন্য মিড-রেঞ্জার ফোন এর কোনো বিকল্প নেই।

এই বছরের জানুয়ারিতে স্যামসাং তাদের সবচেয়ে বিক্রি হওয়া মিড-রেঞ্জ ফোন Galaxy A50 এর সাকসেসর Galaxy A51 লঞ্চ করে। ফোনটি বেশ সারা ফেলে।

লঞ্চ হওয়ার এক মাস পর ফোনটি আমি হতে পাই। এবং সেই হতে এখন পর্যন্ত আমি ফোনটিকে আমার প্রাইমারি ডিভাইস ব্যাবহার করছি।  Galaxy A51 স্মার্টফোনটির অফিসিয়াল বাজার মূল্য - ২৯০০০ টাকা।

অন্যান্য সব শপে এর মূল্য ২৪০০০ টাকা বা এর চেয়ে বেশি। ফোনটি পাওয়া যাবে দুটি ভেরিয়েন্টে যথা - ৪/৬৪ জিবি এবং ৬/১২৮ জিবি।

আজকের এই আর্টিকেল দিয়ে আপনাদের জানাতে যাচ্ছি ফোনটি কেমন হবে আপনার জন্য। অর্থাৎ, আজকে রিভিউ করবো Galaxy A51 স্মার্টফোনের।


আরো পড়ুন:

আপডেট: ফোনটিতে এপ্রিল মাসের সিকিউরিটি আপডেট এসেছে। সাথে এসেছে একটা ইন-বিল্ট স্ক্রিন রেকর্ডার, কুইক শেয়ার, মিউজিক শেয়ার, এআর জোন। আরও এসেছে একটি ম্যানুয়াল টিপস নামক অ্যাপ।

Galaxy A51 Specs

Galaxy-A51-Specs

ডিসপ্লে: ৬.৫-ইঞ্চি, ১০৮০ × ২৪০০, সুপার অ্যামোলেড | প্রসেসর: স্যামসাং এক্সিনোস ৯৬১১ | মেমোরি- ৪/৬জিবি | স্টোরেজ: ১২৮ জিবি, মাইক্রো এসডি কার্ড ৫১২ জিবি | ব্যাটারি: ৪০০০ মিলি অ্যাম্প আওয়ার, ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং ক্যামেরা: ৪৮ মেগাপিক্সেল এফ ২.০ মেইন, ১২ মেগাপিক্সেল এফ ২.২ ওয়াইড-এঙ্গেল, ৫ মেগাপিক্সেল এফ ২.৪ ম্যাক্রো, ৫ এমপি এফ ২.২ ডেপথ সেন্সর রিয়ার ৩২ এমপি এফ ২.২ ফ্রন্ট ওএস: অ্যান্ড্রয়েড ১০, ওয়ান ইউআই ২.০ alert-success

ডিজাইন 

Galaxy+A51
Image Credit: The Verge 

ফোনটির ডিজাইন নিয়ে অবাক হওয়ার মত কিছু নেই। এর ক্যামেরা প্লেসমেন্ট ৩ মাস আগে  লঞ্চ হওয়া Galaxy S20 এর মতন। এরপরও, ডিজাইন খারাপ বলা যাবে না। পিছনের ব্যাকটা গ্লাসের না হওয়া সত্ত্বেও একটা গ্লাস ব্যাক এর ফীল দেয়।

ফোনটির ব্যাক প্যানেল তৈরি করা হয়েছে পলি কার্বনেট ব্যবহার করে, যা একধরনের প্লাস্টিকই বটে।  ব্যাক প্যানেলটির উপর আলো পড়লে সেটা অরা ইফেক্ট শো হয় প্রিজম ক্রাশ ব্ল্যাক ভেরিয়ান্টিতে। 

দেখতে খুবই সুন্দর লাগে এবং যেকেউই এটা পছন্দ করতে বাধ্য।  বাকি ২ কালার ভেরিয়েন্ট দেখতে আরো ভালো। বিশেষ করে নীল রঙের টা অনেক বেশি সুন্দর।

আর লাল রঙের টা অন্তত আমার কাছে অতটা ভালো লাগে নি। সামনের দিকে রয়েছে একটা হোল-পাঞ্চ ডিসপ্লে। যেটা দেখতে রীতিমতো অসাধারণ। হোল-পাঞ্চ ডিসপ্লে থাকার কারণে অনেকটা Note 10  এর মত মনে হয়। 

পিছনের অংশটি পলিকার্বনৈটের তৈরি হওয়ায় এতে খুব সহজেই আঙ্গুলের ছাপ পরে যায়। এক সপ্তাহের ব্যাবহারের পরপরই পিছনে এবং সামনের ডিসপ্লে প্যানেলটিতে স্ক্র্যাচ দেখতে পাই।

সুতরাং, ফোনটা কেনার সাথে সাথে একটা প্রটেক্টিভ কেস কিনারও আবেদন রইলো। ডিসপ্লে প্রটেকশন এর জন্য একটা গ্লাস পেপারও ব্যবহার করতে হবে।

ডিসপ্লে

Galaxy+A51
Image Credit: SamMobile

স্যামসাং এর ডিসপ্লে প্যানেল যে কতটা ভয়নকর হয় সেটা সবারই অবগত হওয়ার কথা। সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে যে কতটা সুন্দর সেটা বাস্তবে ব্যাবহার না করা অবদি বুঝানো যাবে না।

Galaxy A51 এর ডিসপ্লে এক কথায় অস্থির। অ্যামোলেড হওয়ায় কালার খুব ভাইব্রান্ট শো করে এবং কালো রং আসলেই কালো দেখায়। অ্যামোলেড ডিসপ্লে থাকার আরেকটি সুবিধা হলো বেটার ব্যাটারি লাইফ। তার ওপর অলওয়েজ অন‌ ডিসপ্লে তো থাকছেই।

সেটিংসে একটা অপশন আছে যেটা ব্যাবহার করে ডিসপ্লে এর ভাইব্রান্সি নিজের ইচ্ছা মত বাড়ানো বা কমানো যাবে এবং কালার টিউনও পছন্দ মতো চেঞ্জ করা যাবে। আবার যারা অনেক বেশি মুভি দেখেন বা ভিডিও স্ট্রিমিং করতে ভালোবাসেন তারাও এর বড় ৬.৫-ইঞ্চি পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে দেখে খুশি হবেন।

মিডিয়া কন্সাম্পশন কিংবা গেম খেলার জন্য ফোনটি একেবারেই আদর্শ। অতএব, যাদের ফোন কেনার লিস্টে ডিসপ্লে একটা বড়ো ফ্যাক্টর তাদের Galaxy A51 সন্তুষ্ট করবে ইনশাআল্লাহ।

পারফরম্যান্স

Galaxy-A51
Image Credit: SamMobile

গত বছর স্যামসাং Galaxy A50s ফোনটির মধ্যে যেই প্রসেসর ব্যাবহার করে Galaxy A51 এও সেই একই প্রসেসর লাগিয়ে দিয়েছে। এক বছর পর এসেও  নতুন চেহারায় পুরোনো চেহারা লাগিয়ে দেওয়া কারোই ভালো লাগবে না।

কিন্তু বাস্তবে পারফর্মনেস কিন্তু মোটেই খারাপ নয়।

অ্যাপস অনেক দ্রুত ওপেন হচ্ছিল এবং স্যামসাং এর ফাস্ট এবং স্লিক ওয়ান ইউআই এর কারণে কোথাও কখনো মনে হয়নি যে একবছর আগের প্রসেসর লাগানো ফোন ব্যাবহার করছি।

৬ জিবি মেমোরি এর সুবাদে মাল্টি টাস্কিং করা কোনো সমস্যাই না। প্রায় সব অ্যাপসই ব্যাকগ্রাউন্ড এ থাকে এবং পুরো ইউআই জুড়ে কোনো বড়সড় ল্যাগ দেখি নি। তবে মাঝে মাঝে ইউটিউব দেখার সময় হটাৎ করে ক্লোজ হয়ে যেত এবং ইউআই এখানে সেখানে হালকা ল্যাগ করে। 

গেমিং এর কথা বলতে গেলে বলবো অনেক বেশি ভালো কিংবা অনেক বেশি খারাপ কোনোটাই না। পাবজি মোবাইল খেলেছি নির্দ্বিধায় কোনো প্রকার মেজর ল্যাগ ছাড়াই। 

তবে মাঝে মাঝে হালকা স্টাটারিং লক্ষ্য করেছি এবং এই বাজেট খুব কম ফোনেই পাবজি এইচডিআর এবং হাই সেটিংস এ চলে। এই ফোনটিও একই সেটিংসে চালাতে পারবে পাবজি মোবাইল। 

কিন্তু সেই সেটিংসে পাবজি না চালানোই হবে বুদ্ধিমানের কাজ এবং স্মুথ আল্ট্রাই হবে আদর্শ সেটিংস পাবজি চালানোর জন্য। ২ ঘণ্টা গেম খেলে চার্জ ফুরিয়েছে কেবল মাত্র ২৫%।

অন্যান্য গেম – কল অফ ডিউটি বা অ্যাশপল্ট নাইন অনায়সে এবং নির্দ্বিধায় চলবে। এই বাজেট এর অন্যান্য ফোনের তুলনায় পারফরম্যান্স কিছুটা পিছিয়ে থাকবে তবে খুব কাছাকাছি থাকবে।

সফটওয়্যার

স্যামসাং এর নিজস্ব ওয়ান ইউআই ২.০ আগের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত হয়ে এসেছে। ওয়ান ইউআই এমন এক ইউজার ইন্টারফেস যেটায় স্টক অ্যান্ড্রয়েডের ফিচারস থাকার পাশাপশি কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফিচারস অ্যাড করে থাকে স্যামসাং।

Galaxy A51 এর সফটওয়ার এর মধ্যেও ফ্ল্যাগ শিপ এর ঘ্রাণ পেয়েছি। তবে কিছু ফিচারস যেমন: স্ক্রিন রেকর্ডিং ছিল না যেটা Galaxy Note 10 এর মধ্যে ছিল। 

ওয়ান ইউআই নিয়ে বলার মত তেমন কিছুই নেই আইকন গুলো দেখতে সুন্দর এবং পাশাপশি অনেকটা স্টক অ্যান্ড্রয়েড এর ফীল দেয়। ডার্ক মোড আছে যেটা পুরো ইউআই জুড়ে কাজ করে এবং প্রচুর ব্যাটারি সেভ করে।

স্যামসাং তাদের ফোন এ জেসচার নেভিগেশন এরও ফিচার দিয়েছে যেখানে চাইলে তাদের নিজস্ব তৈরি করাটা ব্যাবহার করা যাবে কিংবা গুগল এর ডিফল্ট জেসচারও ব্যাবহার করা যাবে।

এছাড়াও এজ লাইটিং, গেম স্পেস, বিকসবি, এজ প্যানেল, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন মেসেজ অর্গানাইজার, লিংক টু উইন্ডোজ সহ আরও অনেক ইন্টারেস্টিং সব ফিচারস দেওয়া আছে।

দুঃখের বিষয় হচ্ছে ফোনটি ব্যাবহার করার পর কেবল মাত্র ২ বার সফটওয়্যার আপডেট পেয়েছি এবং সিকিউরিটি প্যাঁচ এর আপডেট এখন তুরি ফেব্রুয়ারি মাসের টাই আছে।

ছোট করে বললে, ওয়ান ইউআই ২.০ কাওকে নিরাশ করবে না বলতেই পারি এবং এইটা Galaxy A51 এর একটা প্লাস পয়েন্ট, যা এটাকে বাজেট এর অন্যান্য ফোন যেমন – Poco F2 এর তুলনায় এগিয়ে রাখবে।

ক্যামেরা

Galaxy-A51
Image Credit: The Verge 

ক্যামেরা এর কথা বললে এটাও Galaxy A51 এর টিক মার্ক দেওয়াই আছে। ভালো ছবির তুলার কথা আগে থেকেই বলে দিতে পারি। মেইন ৪৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা দিয়ে তুলা দিনের বেলার গুলো বেশ কালারফুল এবং ডিটেইল রয়েছে।

ক্যামেরা অ্যাপ এর মধ্যে আছে অটো এইচডিআর কনফিগারেশন এবং এআই সিন ডিটেকশন যেটা ছবিগুলোকে আরও বেশি স্যাচুরেটেড করে তুলে। থাকছে নাইট মোড যেটা অন্ধকার ঘরেও দিনের বেলার মত ছবি তুলে।

লো লাইট এ প্রাইমারি ক্যামেরা এর পারফরম্যান্স খুব ভালো না। এছাড়া, লাইভ ফোকাস আছে ডিএসএলআর এর মত ছবি তোলার জন্য। ব্যাক ক্যামেরা দিয়ে কিছু ছবি তুলেছি কোয়ালিটি মোটামুটি ভালোই এসেছে।

পিছনের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স দিয়ে তোলা ছবি সভাবতই মেইন লেন্স থেকে নিম্ন কুলাইটি হবে। তবে বাহিরের আকাশের ছবি তুলার জন্য ভালোই কাজ করে। রাত্রে বেলা ব্যাবহার করার জন্য এই লেন্সেও নাইট মোড ব্যাবহার করা যাবে।

ম্যাক্রো লেন্স দিয়ে তোলা ছবি অনেক বেশি অস্থির লাগবে ভালোমত তুলতে পারলে। আমি যেহেতু বেশি ফটোগ্রাফি করি না তাই অনেক বেশি প্রফেসনাল লেভেল এর ছবি তুলতে পারি নাই।

সামনের ৩২ মেগা পিক্সেল ক্যামেরাও ভালো ছবি তুলে আর স্কিন টোন বাস্তব ধর্মীয় রাখে। তবে মুখের মধ্যে আটা ময়দা মাখার অপশনও পাবেন। এছাড়া, ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যাবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন স্টিকারও বানানো যাবে।

ভিডিও এর কথা বললে সর্বোচ্চ 4K 30 ফ্রেমস পার সেকেন্ড পর্যন্ত রেকর্ড করতে পারবেন। এছাড়াও, দেওয়া আছে সুপার স্লো মোশান এবং হাইপারল্যাপস এর মত মোড গুলি। ভিডিও স্ট্যাবলাইজ করার জন্য ইআইএসও দেওয়া আছে।

ব্যাটারি

Galaxy A51 স্মার্টফোনটি তে দেওয়া হয়েছে ৪০০০ মিলি অ্যাম্প আওয়ার এর বড়ো ব্যাটারি। সাথে বক্সে পাবেন ১৫ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জার। বাজারের অন্যান্য ফোনের তুলনায় চার্জার অনেক পিছিয়ে চার্জ করার দিক দিয়ে।

আমার হেভী ইউজ এ আমি সাড়ে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাটারি ব্যাকআপ পেঁয়েছি। ব্যাটারি সাইজ  এবং ৬.৫ ইঞ্চি এর বড়ো ফুল এইচডি ডিসপ্লে এর কথা ভেবে ব্যাটারি লাইফ ভালোর কাতারেই ফালানো যায়। 

ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হতে ১ থেকে পনে দুই ঘণ্টার মত লাগে। এর প্রাইস বিবেচনা করে বলতে হয় যে এই বাজেট এর অন্যান্য ফোন যেখানে ১৫-১৮ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জার দিচ্ছে সেখানে স্যামসাং এর ১৫ ওয়াট এর ফাস্ট চার্জিং একটু পিছনে পড়ে যায়।

এক্সট্রা

এক্সট্রা সব ফিচারস এর মধ্যে আছে ৩.৫ এমএম এর হেডফোন জ্যাক, যেটার আউটপুট অনেক ভালো এবং গান শুনলে অবশ্যই মজা পাবেন।  চার্জিং এবং ডাটা আউটপুট এবং ট্রান্সফার এর জন্য ব্যাবহার করা হোয়েছে ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট।

নোটিফিকেশন লাইট নেই তবে দেওয়া হয়েছে অলওয়েজ অন‌ ডিসপ্লে যেটা নোটিফিকেশন আসলেই জলে উঠে। এজ প্যানেল এ অনেক অ্যাপস একসাথে রাখার পাশাপাশি কোন কিছুর দৈর্ঘ্য প্রস্থও নির্ণয় করতে পারবেন।

ডুয়াল সিম সাপোর্ট থাকায় একসাথে দুটি সিম ব্যাবহার করতে পারবেন এবং এসডি কার্ড ব্যবহার করে ৫১২ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ স্পেস বাড়াতে পারবেন। ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারও থাকছে ডিসপ্লে এর নিজের দিকে যেটা মোটামুটি ভালোই কাজ করে এবং নিরাপত্তাও প্রদান করবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক ভালো না লাগলেও ফেস আনলকও ব্যাবহার করতে পারবেন।

মতামত

বর্তমানের কম্পিটিটিভ স্মার্টফোন বাজারে স্যামসাং রাজ করবে কিনা সেটা বলা না গেলেও প্রচুর স্মার্টফোন বিক্রি করতে সক্ষম হবে। শাওমি, রিয়ালমি এর মত কোম্পানির আধিপত্য আছে যেই মিড-রেঞ্চ মার্কেটে সেখানে নিজেদের অবস্থান বাড়ানোর ক্ষেত্রে স্যামসাং এর 'এ' সিরিজের স্মার্টফোন গতবছর অনেক বেশি সাড়া ফেলে।

এবছরও গ্যালাক্সি এ-৫১ এবং এ-৭১ দ্বারা কিংবা অন্যান্য যেসব বাজেট সেগমেন্ট এর ফোন লঞ্চ হবে সেগুলার দ্বারা মার্কেটে রাজত্ব করতে চাইবে। গ্যালাক্সি এ-৫১ এবছর যে কতুটুকু সারা ফেলেছে সেটা সবাই জানি কিন্তু অন্যান্য সব ব্র্যান্ড এর ফোন যে টাফ কম্পিটিশন দিবে সেটা নিশ্চিত।

একটি কথা সহজেই বলতে পারি – আপনি যদি স্যামসাং এর ফ্যান হন বা ডিসপ্লে এর প্রতি অনেক বেশি ঝোঁক কিংবা মিডিয়া কনসাম্পশন অনেক বেশি করতে চান তাহলে চোখ বন্ধ করে Galaxy A51 নিয়ে নিন ।

অপেক্ষাকৃত নতুন পুরনো